বনানী আগুন: নিয়ন্ত্রণে আনতে দেরি হওয়ার কারণ

বিবিসি বাংলা।

বনানীতে বহুতল ভবনে আগুনে এ পর্যন্ত ১৯ জন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

বহু মানুষ আহত অবস্থায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ইউনাইটেড হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

আগুন লাগার চার ঘণ্টার বেশি সময় পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

পরে এ কাজে দমকল বাহিনীর ১৭টি ইউনিট কাজ করে। সেই সঙ্গে যোগ দেয় অন্যান্য বাহিনীও।

পরে তাদের সাথে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী যৌথভাবে কাজ শুরু করে। সাথে স্থানীয় মানুষেরাও যোগ দেন।

কিন্তু আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে এত দীর্ঘ সময় লাগার কারণ কী – তা নিয়ে প্রশ্ন করছেন অনেকে।

দমকল বাহিনীর ঢাকা বিভাগের কর্মকর্তা দেবাশীষ বর্ধন জানিয়েছেন, মূলত দুইটি কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দেরি হয়েছে।

• পানির অভাব

আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য প্রচুর পানি দরকার হয়। এক সময় পানির যোগান এবং তা যথাস্থানে দ্রুত সময়ে পৌঁছানো একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশি সময় লাগার এটি একটি কারণ।

• সিনথেটিক ফাইবার
মি. বর্ধন জানিয়েছেন, ঐ ভবনের বেশিরভাগ তলায় রয়েছে বিভিন্ন অফিস, যেগুলো ডেকোরেট বা সজ্জার কাজে ব্যবহার করা হয়েছে সিনথেটিক ফাইবার।

ই সিনথেটিক ফাইবারে আগুন ধরে গিয়ে প্রচুর ধোঁয়া হয়েছে।

আর এই ধোঁয়ার কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে সময় বেশি লেগেছে।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, দমকল বাহিনী এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা ভবনের ভেতরে প্রবেশ করে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে।

দমকল বাহিনীর মি. বর্ধন বলেছেন, এফ আর ভবন থেকে শতাধিক লোককে বের করে আনা হয়েছে।

তবে ভেতরে ঠিক কত লোক ছিলেন সেটি তিনি বলতে পারেননি।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: