অতিরিক্ত সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করছে শিশুরা

যুক্তরাজ্যে ১০ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুরাও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করছে বলে জানিয়েছে একটি বিবিসি’র বাচ্চাদের নিয়ে অনুষ্ঠান নিউজরাউন্ড।

সম্প্রতি তাদের প্রকাশিত গবেষণায় দাবি করা হয়, ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রামে ব্যবহারকারীর বয়স সর্বনিম্ন ১৩ বছরের বাধ্যবাধকতা থাকলেও তা মানছে না ব্রিটিশ শিশুরা।
গবেষকদের দাবি, ১০ থেকে ১২ বছরের বেশিরভাগ শিশুই এই মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে। তিন-চতুর্থাংশেরও বেশি শিশু অন্তত একটি সামাজিক মাধ্যম সক্রিয়। আর ১৩ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের মাঝে এর পরিমাণ ৯৩ শতাংশ।

স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ফেসবুক। ৪৯ শতাংশ শিশু এই যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে। এর পরের অবস্থানেই আছে ইন্সটাগ্রাম। ৪১ শতাংশ শিশই স্বীকার করেছে যে তারা ইনস্টাগ্রামে ছবি শেয়ার করেন।

সেফার ইন্টারনেট ডে উপলক্ষ্যে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। সেখানে বলা হয় গত বছর প্রতি চারজনে একজন শিশু অনলাইনে ঘৃণা ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। ১৩ থেকে ১৮ বছরের শিশুদের মাঝে ২৪ শতাংশই অনলাইনে আক্রমণের শিকার হয়েছেন। কখনো লৈঙ্গিক কিংবা ধর্ম ও গোত্রের কারণেই যৌন সহিসংতাসহ অন্যান্য নিপীড়নের শিকার হয়েছে তারা।

প্রতি ২৫জনে একজন শিশু জানায়, তাদেরকে সবাই মিলে অপদস্ত করার চেষ্টা করে। তবে এই দাবিকে অস্বীকার করেছে দেশটির সেফার ইন্টারনেট সেন্টারের গবেষকরা। তাদের দাবি, প্রতিবন্থকতা, ধর্ম, গোত্র কিংবা জাতীয়তার কারণে অনলাইনে কাউকে হয়রানির শিকার হতে হয়না।

সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী পিটার ওয়ানলেস বলেন, তারা কমবয়সীদের নিরাপত্তা দেয়ার স্বার্থেই ইন্টারনেট নিয়ে কাজ করছেন। আর দেশটির শিক্ষামন্ত্রী নিকি মরগ্যান বলেন, ইন্টারনেট খুবই শক্তিশালী। এর মাধ্যমে অগণিত উপকার পাওয়া সম্ভব। তবে এটি অবশ্যই সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করতে হবে। টেলিগ্রাফ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.