উত্তাল পদ্মা, আশ্রয়ে ছুটছেন গ্রামবাসী

ভারত থেকে বন্যার পানিতে দিগন্ত ছুয়েছে পদ্মা। গত কয়েক বছরের রেকর্ড ভেঙ্গে বিপদসীমার পাশ দিয়ে বয়ে যাচ্ছে পদ্মার পানি।

পানি বৃদ্ধির কারণে হুমকির মুখে রাজশাহী নগরীর কয়েকটি এলাকার পদ্মার তীর রক্ষা প্রকল্প কাজ।

পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তলিয়ে যাচ্ছে পদ্মার উভয় তীরের নিম্মাঞ্চল। তলিয়ে যাচ্ছে স্থাপনা, বাড়ি-ঘর ক্ষেত খামার। সর্বস্ব হারাচ্ছে জনগণ। রাজশাহীতে ভাঙনে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পবা উপজেলার হরিপুর ও হরিয়ান ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম। এর মধ্যে ভাঙনে পবা উপজেলার হরিয়ানে দু’টি গ্রাম চর খানপুর ও চর খিদিরপুরের প্রায় সম্পূর্ণ অংশ নদী গর্ভে বিলিন হয়েছে। মধ্যচরেও পানি উঠায় সেখানকার জনগণ মহাবিপদে পড়েছে। গৃহপালিত পশু নিয়েও পড়েছেন বিপাকে। পদ্মাপাড়ের মানুষ তাই ছুটে চলেছেন আশ্রয়ের সন্ধানে।

দেশের অন্য অঞ্চলে নদীর এক তীর ভেঙ্গে অন্য তীরে চর জাগে, দেশের জমি দেশেই থেকে যায়। কিন্তু সীমান্ত নদীর ভাঙ্গনে জমি চলে গেলে সেটা আর ফিরে পাওয়া যায় না। ক্রমাগত ভাঙনে উপজেলার বেশকয়েকটি মৌজার জমি পদ্মা নদীতে তলিয়ে গেছে। আর একটু ভাঙলেই দেশের ভূ-খন্ড হারাবে।

পদ্মা ও গড়াইয়ে অব্যাহতভাবে পানি বাড়ায় দৌলতপুর উপজেলার চিলমারি ও রামকৃঞ্চপুর ইউনিয়নের ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে ৬০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। প্রতিটি ঘরেই পানি ঢুকে গেছে। ঘরের মধ্যে মজুদ রাখা ধান, পাট, মরিচসহ সবকিছু নষ্ট হয়ে গেছে। এছাড়াও এলাকায় তীব্র খাবার পানি সংকট দেখা দিয়েছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.