গাজার বিক্ষোভে ফিলিস্তিনি নারীদের ভূমিকা

বিক্ষোভ শিবিরের অভ্যন্তরে নারীদের নানা কাজ৷ আন্দোলন শুরু হওয়া যাবৎ বেশ কয়েক শত ফিলিস্তিনি মহিলা ছেলে-মেয়ে সঙ্গে করে বিক্ষোভে যোগ দিতে আসছেন৷ তাঁদের মধ্যে অনেকে সীমান্তে সংঘাতপূর্ণ প্রতিবাদেও সামিল হন৷
ফিলিস্তিনি নারীরা তাঁদের দুরবস্থার কথা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেও জ্ঞাপন করেন – কেননা তাঁদের ঘিঞ্জি, দারিদ্র্যপূর্ণ গাজা স্ট্রিপ পরিত্যাগ করার কোনো উপায় নেই৷ ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় ৮০ শতাংশ ফিলিস্তিনি তাদের দেশ থেকে বিতাড়িত হন অথবা পলায়ন করেন৷
প্রতিবাদ যেখানে সংঘর্ষের রূপ নিচ্ছে, সেখানেও ফিলিস্তিনি মহিলাদের পাওয়া যাবে৷ ১৮ বছর বয়সের তরুণী আয়া আবেইদ রয়টার্স সংবাদসংস্থাকে বলেছেন, ‘‘কেউ কেউ আমাদের বলেন: পুরুষরা যা করে, তা তোমরা করতে পারো না! অনেকের ভয় যে, আমরা আহত হতে পারি৷ অন্যরা আবার আমাদের একসঙ্গে লড়ার উৎসাহ দেন৷’’
ফিলিস্তিনিরা ‘নকবা’ বা স্বদেশ থেকে তাঁদের বিতাড়নের কথা স্মরণ করছেন: ওয়ার্কশপ বা থিয়েচারের সঙ্গে সঙ্গে গাড়ির টায়ার পোড়ানো বা পাথর ছোঁড়াতেও ফিলিস্তিনি মহিলারা সামিল৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.