চলতি মাসেই কালবৈশাখী-বন্যা

চলতি মাসে দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে একাধিকবার আঘাত হানতে পারে কালবৈশাখী। ঝড়ের পাশাপাশি হতে পারে শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাত। এছাড়া, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে দেখা দিতে পারে আকস্মিক বন্যা। এরই মাঝে আভাস রয়েছে মাঝারি তাপ প্রবাহেরও। চলতি মাসে আবহাওয়ার এমন ঘনঘটাকে ‘বিরল’ বলছেন আবহাওয়াবিদরা।

এই রোদ তো এই মেঘ। এরমাঝেই হঠাৎ বৃষ্টি। কখনো গুঁড়ি গুঁড়ি, কখনোবা মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ। খানিকটা অস্বাভাবিক এবারের ফাল্গুন।

পরপর তিনটি পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে ঢাকাসহ দেশের মধ্যাঞ্চলে গত ৬৬ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে এবারের ফেব্রুয়ারিতে। এই ধারাবাহিকতায় মার্চের গোড়ায় তৈরি হয়েছে আরেকটি লঘুচাপ। এর প্রভাবে তিন দিন ধরে বৃষ্টি ঝরছে দেশের প্রায় অঞ্চলে।

এই বৃষ্টি শেষে হঠাৎ করেই বাড়বে তাপমাত্রা। চার-পাঁচদিনের মধ্যে দেশের পশ্চিমাঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে মাঝারি তাপপ্রবাহ। এ সময় থার্মোমিটারে পারদ উঠতে পারে ছত্রিশ থেকে চল্লিশ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

মার্চের মধ্যভাগের পর আবারো তৈরি হতে পারে পশ্চিমা লঘুচাপ। এর প্রভাবে আঘাত হানতে দিতে পারে দুই-তিনটি কালবৈশাখী।

চার দফা বৃষ্টিতে মাটির জলীয়বাষ্পের ধারণ ক্ষমতা প্রায় পূর্ণ হয়ে গেছে। তাই ভারী বর্ষণ হলে চলতি মাসের শেষের দিকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আকস্মিক বন্যার শঙ্কা আছে।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, চলতি মাস শেষে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে পারে নিম্নচাপ। যার প্রভাবে শঙ্কা আছে ঘূর্ণিঝড়ের।

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.