টেস্ট মর্যাদা পেল আফগানিস্তান-আয়ারল্যান্ড

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পুরস্কার হাতে নাতে পেল আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ড। ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এই দুটি দেশকে টেস্টের স্ট্যাটাস দিল। আজ বৃহস্পতিবার লন্ডনে আইসিসির বার্ষিক সভায় ভোটাভুটিতে আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ড টেস্ট মর্যাদার স্বীকৃতি পায়।

২০০০ সালে আইসিসির দশম দেশ হিসেবে টেস্টের স্ট্যাটাস পায় বাংলাদেশ।এর ১৭ বছর পর আফগানিস্তান একাদশ এবং আয়ারল্যান্ড দ্বাদশ দেশ হিসেবে টেস্টের মর্যাদা পেল।

গত সোমবার আইসিসির বার্ষিক সাধারণ সভা শুরু হয়। সভা শেষ হওয়ার একদিন আগে বৃহস্পতিবার আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডকে টেস্টের স্ট্যাটাস দেয়ার ঘোষণা দেয় (আইসিসি)।

১৯৮২ সাল পর্যন্ত আইসিসির টেস্ট স্ট্যাটাসপ্রাপ্ত দেশের সংখ্যা ছিল সাতটি। ওই সময় শ্রীলঙ্কা এবং ১৯৯২ সালে জিম্বাবুয়ে টেস্টের মর্যাদা পায়। জিম্বাবুয়ের আট বছর পর টেস্টের স্বীকৃতি পায় বাংলাদেশ।

আফগানিস্তানের সঙ্গে ক্রিকেটের সম্পর্ক বেশ পুরনো। তবে ক্রিকেটবিশ্বে বলতে গেলে আফগানরা ‘মিনোজ’ই। ২০১১ সালে ওয়ানডে ক্রিকেটের স্ট্যাটাস পায় যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি।

ওয়ানডের মর্যাদা পাওয়ার দুই বছর পর ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি আফগানিস্তানকে সহযোগী সদস্যের মর্যাদা দেয়। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে অংশ নেয় আফগানিস্তান। এর এক বছর পর ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টিতেও অংশ নেয় যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দিন দিন উন্নতি করছে আয়ারল্যান্ডও। ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো অংশ নেয় আইরিশরা। সেবার পাকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অঘটনের জন্ম দেয় দেশটি। এরপর ২০১১ ও ২০১৫ সালের বিশ্বকাপেও অংশ নেয় আয়ারল্যান্ড।

এর মধ্য দিয়ে টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে আবির্ভূত হল তারা। এখন থেকে টেস্ট খেলুড়ে দেশের সংখ্যা ১২টি।
আফগানিস্তান ২০১১ সালে ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায়। ২০১৫ সালে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলে আফগানিস্তান। এরপর ২০১৬ সালে তারা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.