দেশীয় ওষুধেই নির্মূল ‘হেপাটাইটিস সি’

বাংলাদেশে তৈরি মুখে খাওয়ার ওষুধেই হেপাটাইটিস সি ভাইরাস সম্পূর্ণ নির্র্মূল হয় এবং রোগীদের আরোগ্য লাভের মাত্রাও অনেক বেশি। দেশীয় এ ওষুধের দামও রোগীদের নাগালের মধ্যে। এছাড়া এসব ওষুধ পূর্বের তুলনায় অনেকটাই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন। রোববার দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সেমিনার সাব-কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত ‘হেপাটাইটিস সি : এন আপডেট’ শীর্ষক সেমিনারে এসব তথ্য জানানো হয়। সেমিনারে উত্থাপিত গবেষণাপত্রে বলা হয়, ২-৩ বছর আগেও হেপাটাইটিস সি-এর তেমন কার্যকরী চিকিৎসা ছিল না। তখন হেপাটাইটিস সি-এর চিকিৎসায় ইজেকশনের মাধ্যমে ওষুধ সংশ্লিষ্ট রোগীর শরীরে প্রয়োগ করা হতো। ওই চিকিৎসা ছিল দীর্ঘমেয়াদি, ব্যয়বহুল, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াযুক্ত। আরোগ্য লাভের মাত্রা ছিল সামান্য। কিন্তু গত ২ থেকে ৩ বছরে হেপাটাইটিস সি-এর চিকিৎসায় মুখে খাওয়া ওষুধে ব্যাপক পরিবর্তন ও সাফল্য পরিলক্ষিত হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান। সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনার সাব-কমিটির সভাপতি ও শিশু হেমাটোলজি এবং অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ডা. চৌধুরী ইয়াকুব জামাল। সেমিনারে হেপাটাইটিস সি-এর ওপর প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. চঞ্চল কুমার ঘোষ ও ডা. রাজিবুল আলম।

হাড়-মাংস না কেটেই ঘাড়, কোমর ও মেরুদণ্ডের ব্যথা নিরাময় সম্ভব : ঘাড় ও কোমরসহ মেরুদণ্ডের ব্যথায় হাড়-মাংস না কেটে এখন বাংলাদেশেই বিশ্বের সর্বাধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি লেজার সার্জারির মাধ্যমে রোগীকে পুরোপুরি সুস্থ করে তোলা সম্ভব। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ‘নিরাপদ’ স্বীকৃতিপ্রাপ্ত এ পদ্ধতিতে কোনো ঝুঁকি বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। রোববার বিএসএমএমইউর শহীদ ডা. মিল্টন হলে আয়োজিত সেমিনারে ইন্সটিটিউট অব লেজার সার্জারি অ্যান্ড হসপিটালের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী এসব কথা জানান।

সেমিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনায় ডা. মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী বলেন- ঘাড়, পিঠ বা কোমরের ব্যথায় বিভিন্ন বয়সী অসংখ্য মানুষ কষ্ট পাচ্ছেন। কোনো রকম আঘাত পাওয়া ছাড়াই এসব অঙ্গে ব্যথা দেখা দিতে পারে। তাই মেরুদণ্ডে ব্যথার সঠিক কারণ নির্ণয় করা সবচেয়ে জরুরি। তিনি বলেন, লেজার চিকিৎসার মাধ্যমে স্থানচ্যুত নরম হাড় আগের অবস্থায় ফিরে আসে এবং মেরুদণ্ডের কর্ড ও নার্ভের ওপর থেকে চাপ কমে গিয়ে রোগী স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। এছাড়া লেজারের মাধ্যমে ছিঁড়ে যাওয়া চারপাশের শক্ত আঁশ ও ছোট ছোট রক্তনালির ক্ষমতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.