নিরাপত্তায় বায়োমেট্রিক্স

নিরাপত্তায় বায়োমেট্রিক্সের ব্যবহার প্রতিদিনই বাড়ছে। উন্নত দেশগুলোতে আগামী দিনগুলোতে কেমন হবে নিরাপত্তাব্যবস্থা, তা খতিয়ে দেখেছেন জো শার্লাফ। “জেন’স হোমল্যান্ড সিকিউরিটি রিভিউ” ম্যাগাজিন থেকে তার সারসংক্ষেপ জানাচ্ছেন জুলফিকার হায়দার

মানুষের পরিচয় শনাক্ত করতে শারীরিক চিহ্ন ব্যবহারের যে প্রক্রিয়া, সেটাই হচ্ছে বায়োমেট্রিক্স। কিন্তু কতটা কাজে আসছে এ পদ্ধতি? উদাহরণ দিলে ব্যাপারটা পরিষ্কার হবে। বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি কিন্তু এরই মধ্যে ব্যাপক ছড়িয়ে পড়েছে। সীমান্ত পারাপারের সময় শরীর পরীক্ষা হচ্ছে। ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরাতেও হচ্ছে সূক্ষ্ম বাছবিচার। কিন্তু গোয়েন্দারা কি পারবেন আসল-নকল পার্থক্য করে সেসব সন্ত্রাসী ধরতে, যাদের কারণে পুরো একটা দেশই হয়তো হুমকির মুখে পড়বে? এগুলো দিয়ে কি আরেকটি ১১ই সেপ্টেম্বরের পথ বন্ধ করা যাবে? বিমানযাত্রীদের জন্য বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি কিভাবে কাজ করবে যাদের শুধু সামান্য রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যেতে হয়?
ইসরাইল বিমানযাত্রার নিরাপত্তার জন্য এখন ইসরাইলের দিকে তাকিয়ে আছে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। ২০০৯ সালের ২৫ ডিসেম্বর আমস্টারডাম থেকে ডেট্রয়েটগামী একটা ফ্লাইটে হামলার আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়েছিল। এরপরই বেনগুরিন বিমানবন্দরে বায়োমেট্রিক ব্যবস্থার ‘ইউনিপাস’ সিস্টেম চালু করে ইসরাইল। মানুষের সরাসরি হস্তক্ষেপ ছাড়া এটাই ছিলো এ ধরনের প্রথম নিরাপত্তাব্যবস্থা।

প্রথম ধাপে রেজিস্ট্রেশান ডেস্কের কাছে একটা মেশিন যাত্রীর পাসপোর্ট চেক করবে। এরপর তার আঙুলের ছাপ আর চেহারার কিছু জিনিস স্ক্যান করে একটা বায়োমেট্রিক পরিচিতি দাঁড় করাবে। এরপর তথ্যগুলো একটা ‘স্মার্টকার্ডে’ প্রিন্ট করে প্রত্যেক যাত্রীকে দেয়া হবে। রেজিস্ট্রেশন একবারই করতে হবে। স্মার্টকার্ড হাতে যাত্রীকে এরপর যেতে হবে প্রথম নিরাপত্তা পয়েন্টে। সেখানে স্মার্টকার্ড পাঞ্চের পর মেশিনে পাসপোর্ট পরীক্ষা করা হবে। স্মার্টকার্ড আর পাসপোর্টের তথ্য মিলে গেলে যাত্রীর সামনে ভেসে উঠবে একটা টাচস্ক্রিন প্যানেল। সেখানে বেশ কতগুলো প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রশ্নগুলো আগেই বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তাকে বিভিন্নভাবে জিজ্ঞাসা করে জেনে নিয়েছে।
যদি কোনো প্রশ্নের উত্তর ভুল হয় বা মেশিন কোনো সমস্যা খুঁজে পায়, তাহলে যাত্রীকে সামনে আগানোর আগেই আরো ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাবে গার্ড।

পরবর্তী ধাপ হলো লাগেজ এক্স-রে মেশিন। প্রথম ধাপ পার হলে যাত্রীকে আরেকবার স্মার্টকার্ড পাঞ্চ করে তা জানাতে হবে। এরপর লাগেজ স্ক্যান করার পর এয়ারলাইনের চেক-ইন ডেস্কে আবারো স্মার্টকার্ড পাঞ্চ করে জানাতে হবে সব নিরাপত্তা স্তর পার হয়েছে যাত্রী। এরপর আবার হ্যান্ড-লাগেজ পরীক্ষার পালা। সেখানে আবার স্মার্টকার্ড পাঞ্চ করে এগোতে হবে বোর্ডিং পাসের দিকে।
ইউনিপাস তৈরি করছে ইসরাইলের বিমান কর্তৃপক্ষের টেকনিক্যাল বিভাগ। তাদের সাহায্য করছে কনসালটিং ফার্ম ‘বেন্ডার টেকনোলজিস’।

তেলআবিবের আরেকটি প্রতিষ্ঠান ‘সাসপেক্ট ডিটেকশন সিস্টেম’। সন্ত্রাসীদের সহিংস মনোভাব ধরতে তাদের আচার-ব্যবহার পর্যবেক্ষণের একটা পদ্ধতি দাঁড় করিয়েছে তারা। এটাকে বলা হচ্ছে সিওজিআইটিও (কোগিটো) ১০০২। কোগিটো পদ্ধতিতে ধরে নেয়া হয়, যেকোনো সন্ত্রাসী দলের সদস্যদের মধ্যে একটা বিষয় থাকবেই ধরা পড়ার ভয়। এই সূত্র ধরেই সাজানো হয়েছে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করার পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে তাপ বা শব্দের প্রতি সন্দেহভাজন ব্যক্তির ত্বকের সংবেদনশীলতা এবং তার ঘাম ও ঘামের সাথে নির্গত লবণের পরিমাপ করা হবে।

এখানে যাত্রীকে একটা বুথে পাঠানো হয়। সেখানে পাসপোর্ট স্ক্যানের পর যাত্রীকে হেডফোন পরতে হয়। এরপর একটা সেন্সরে হাত রেখে ভ্রমণ সম্পর্কে ১৫ থেকে ২০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। এই সময়টাতে ওই সেন্সর তার রক্তচাপ, পালস রেট এবং ঘামের পরিমাণ রেকর্ড করে। যাত্রী নারী বা পুরুষ, তার বয়স, জাতীয়তা এমনকি সে কোথায় থাকে এসব বিষয় মাথায় রেখে তাকে প্রশ্নগুলো করা হয়। পুরো ব্যাপারটাতে সময় লাগে পাঁচ মিনিটের মতো। এসবের ভিত্তিতে কাউকে সন্দেহ হলে তাকে আরো জিজ্ঞাসাবদের জন্য পাঠানো হয় প্রশিক্ষিত নিরাপত্তা কর্মীদের কাছে।

এ পদ্ধতিতে যেকোনো স্ট্যান্ডার্ড লাই-ডিটেক্টরের মতো শুধু এক প্রশ্নের উত্তরের সাথে অন্য প্রশ্নোত্তরগুলো তুলনাই করা হয় না, বরং এর আগে অন্য কোথাও দেয়া এজাতীয় প্রশ্নোত্তরের সাথেও সেগুলো মিলিয়ে দেখা হয়। কোম্পানির প্রধান নির্বাহী শাপ্তাই শোভেল জানালেন, ইসরাইলে বসবাসরত ফিলিস্তিনি, ইসরাইলি, আমেরিকানসহ অন্য জাতীয়তার মানুষদের ওপর গবেষণা করে তাদের আচরণের একটা প্যাটার্ন দাঁড় করানো হয়েছে। এগুলোর সাথে তুলনা করে কারো সহিংস মনোভাব সম্পর্কে আঁচ করা যায়। তবে চীনা বা ইরাকিদের ব্যাপারে এই গবেষণা এখনো করা হয়নি বলে জানালেন শোভেল।

গোয়েন্দাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী কোগিটো পদ্ধতিকে বিভিন্নভাবে পরিবর্তনও করা যায়। এই পদ্ধতি দাঁড় করাতে সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা, পলিগ্রাফ বিশেষজ্ঞ এবং কম্পিউটার বিজ্ঞানীর সহায়তা নিয়েছেন শোভেল। কোম্পানির টিমে রয়েছেন ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা ‘শিন বেত’-এর অনেক সাবেক কর্মকর্তা। কোনো ব্যক্তি সহিংস ঘটনা ঘটাতে চাইলে তার মধ্যে লক্ষণীয় পরিবর্তন ঘটে। ধরা পড়ার ভয় থেকে প্রচণ্ড মানসিক চাপ বাড়ে। কী করতে হবে চিন্তা থেকে বাড়ে উত্তেজনা। মনোযোগের মাত্রা বেশি হলে বুঝতে হবে সামনের কাজের ব্যাপারে তার ব্রেন সতর্ক। তা ছাড়া এ রকম পরিস্থিতিতে উত্তেজনা স্বাভাবিক রাখতে অনেকে ড্রাগও ব্যবহার করে থাকে।

দ্য ফাস্ট রুট
মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট সন্ত্রাস প্রতিরোধে একটা যুগান্তকারী স্ক্রিনিং পদ্ধতি গড়ে তুলছে। এটাকে বলা হচ্ছে ফিউচার অ্যাট্রিবিউট স্ক্রিনিং টেকনোলজি এফএএসটি বা ফাস্ট। কারো সহিংসতা ঘটানোর উদ্দেশ্য আছে কি না, সেটাই পরীক্ষা করা হবে এ পদ্ধতিতে। নিরাপত্তা পয়েন্টগুলোতে রক্ষীদের সহায়তায় এ স্ক্রিনিং সিস্টেম কাজে লাগানো হবে।

এ পদ্ধতিতে মুক্তভাবে ঘুরে বেড়ানো মানুষের আচরণের বিভিন্ন দিক গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। পোশাক-আশাক পরীক্ষা করা, জুতা খোলানো বা এ ধরনের ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবে নিরাপত্তা কর্মীরা।

ফাস্ট প্রযুক্তিতে দূর থেকে রিমোট নিয়ন্ত্রিত যন্ত্রের সাহায্যে সন্দেহভাজনের হার্টবিট, রক্তচাপ পরীক্ষা করা হবে। দূরনিয়ন্ত্রিত শক্তিশালী ক্যামেরা দিয়ে পরীক্ষা করা হবে চোখের দৃষ্টি। ভিডিও করা হবে চেহারার অভিব্যক্তি ও তাপের হ্রাস-বৃদ্ধির মাত্রা। এই উচ্চ-রেজুলিউশনের ভিডিও থেকে যেকোনো ব্যক্তির পুরো শরীর নিখুঁতভাবে খতিয়ে দেখা যাবে। সাথে থাকবে ভয়েস রেকর্ডার। সেটা পরীক্ষা করে দেখা হবে কণ্ঠস্বরের ওঠানামা বা উত্তেজনা।

শুধু শারীরিক উপসর্গ নয়, ফাস্ট প্রযুক্তিতে একজন ব্যক্তির মানসিক দিকও খতিয়ে দেখা হবে। স্বাভাবিক ও উত্তেজিত অবস্থায় শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াগুলোর যে তারতম্য সেটা দিয়েই চিহ্নিত করা হবে দোষী ব্যক্তিকে। তবে অসুস্থ বা মানসিকভাবে চাপের মধ্যে থাকা যেকোনো ব্যক্তিরই সাময়িক এসব লক্ষণ দেখা যেতে পারে। সেসব ক্ষেত্রে এ ধরনের ব্যক্তির শারীরিক নমুনাগুলো তার দলের অন্যদের সাথে মিলিয়ে দেখা হবে।

ই-বর্ডারস প্রোগ্রাম
বিশ্বের সবচেয়ে বড় সীমান্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তুলতে যাচ্ছে ব্রিটেন। এর নাম দেয়া হয়েছে ই-বর্ডারস। এ পদ্ধতিতে ব্রিটেনে প্রবেশের সময় প্রত্যেক ব্যক্তির বায়োমেট্রিক নমুনা নেয়া হবে। একটা তথ্যব্যাংকে সব পর্যটক ও ব্রিটিশদের বায়োমেট্রিক তথ্য জমা থাকবে, যেখান থেকে সহজেই যে কাউকে শনাক্ত করা যাবে।

শুধু সন্ত্রাস দমনে নয়, সাধারণ কাজেও এ তথ্য কাজে লাগবে। এতে বর্ডার এজেন্সির কাছে এমন প্রযুক্তি থাকবে যে, বিমান, ট্রেন বা জাহাজে ওঠার আগেই যাত্রীর ছবি দেখা যাবে। তারা কেন সফর করছে বা কত দিন ব্রিটেনে থাকবে, সে ব্যাপারগুলো পরিষ্কার দেখতে পারবে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা। যারা ব্রিটেনের জন্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে, তাদের ঠেকানো তো যাবেই, পাশাপাশি সন্ত্রাসবিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে আগাম নিরাপত্তার কাজ দেবে এ প্রযুক্তি।

২০০৮ সালের ১ এপ্রিল ই-বর্ডারস প্রোগ্রামের পাইলট প্রকল্প শুরু হয়। তখন থেকে এ পর্যন্ত ইমিগ্রেশনে, কাস্টমস ও পুলিশের তালিকা ধরে ১৬৫ মিলিয়ন যাত্রীকে পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছে পাঁচ হাজারেরও বেশি সন্দেহভাজন।

২০০৪ সালের নভেম্বর থেকে একটি পাইলট প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এ প্রকল্পের অধীনে পরিচালিত অভিযানে এ পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ হাজার সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ৩৫টি খুন ও ১১৪টি ধর্ষণসহ নির্যাতনের ঘটনা কেন্দ্র করে অভিযানগুলো চালানো হয়। ব্রিটেনে বছরে ১০৬ মিলিয়ন মানুষ প্রবেশ করে ও বের হয়, তাদের কাছ থেকে নেয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এ পাইলট প্রকল্প চালানো হচ্ছে। এ সংখ্যা আরো বাড়ানো হবে।

ই-বর্ডারস প্রোগ্রামের অধীনে যাত্রীদের তথ্য সংগ্রহ শেষ হলে এগুলো তুলে দেয়া হবে কর্তৃপক্ষের হাতে। এই প্রোগ্রামের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এটি শুধু বিমানযাত্রীদের ক্ষেত্রে করা হচ্ছে না, সড়ক বা নৌপথে যারা ব্রিটেনে প্রবেশ করছে, তাদের ওপরও চলছে এই নজরদারি। এমনকি রেলপথও বাদ পড়ছে না। কারণ ইংলিশ চ্যানেল দিয়ে ইউরোপের সাথে রেল যোগাযোগ রয়েছে ব্রিটেনের।
বন্দরগুলোতে বিশেষ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এর নাম দেয়া হয়েছে সিকিউরআইডি। সাথে ফিঙ্গারপ্রিন্ট আর বায়োমেট্রিক ভিসা তো পরীক্ষা করা হবেই। ব্রিটেনে ভিসার জন্য আবেদনের সময় যে বায়োমেট্রিক তথ্যগুলো দেয়া হয়, প্রবেশের সময় সেগুলোর সাথে মিলিয়ে দেখা হবে, দু’জন একই ব্যক্তি কি না। পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রক্রিয়া পরে আরো সম্প্রসারিত করা হবে। এরপর ইউরোপীয়, অ-ইউরোপীয় এবং ব্রিটিশদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পদ্ধতি চালু করা হবে।

বায়োমেট্রিক্সের যুগ
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য বায়োমেট্রিক্সের মধ্যে বিপুল সম্ভাবনা লুকিয়ে আছে। প্রাইভেট কোম্পানিগুলোও এ সুবিধার ভাগীদার হবে। তথ্যব্যাংকে জমা তথ্যের সাথে সন্দেহভাজনের চেহারার বিভিন্ন বিষয় বিশ্লেষণ করে দোষীকে শনাক্ত করা সম্ভব হবে সহজেই। প্রযুক্তির আরো উন্নতি হলে ইনফ্রারেড পদ্ধতিতে চেহারার ত্রিমাত্রিক গঠন শনাক্ত করা যাবে। এর সাথে মিলিয়ে দেখার জন্য ক্যামেরার দ্বিমাত্রিক ছবিকে ত্রিমাত্রিকে রূপান্তরের কাজটি করবে সফটওয়্যার। এখন পর্যন্ত বায়োমেট্রিক পদ্ধতিকে সায়েন্স ফিকশনের কল্পজগতেই ব্যবহার হতে দেখা যায়। তবে সেদিন বেশি দূরে নয়, যে দিন নিরাপত্তা প্রশ্নে এটিই সবখানে গ্রহণীয় হয়ে উঠবে, কারণ শুধু এ পদ্ধতিতেই নিখুঁতভাবে কাউকে শনাক্ত করা সম্ভব।

এই পদ্ধতি শুরুতে তেমন গ্রহণযোগ্য হয়নি। কারণ প্রযুক্তির সাথে মানুষ তখনো অতটা স্বাচ্ছন্দ্য ছিল না। কিন্তু এখন শিশু-কিশোররা যেমন অল্প বয়সেই ইন্টারনেট ব্যবহারে সিদ্ধহস্ত হয়ে উঠছে, তেমনি এ প্রযুক্তিও তাদের কাছে সহজ ও স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণীয় হবে। তা ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে বায়োমেট্রিক্স প্রযুক্তি নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে গেছে। সে জন্য এর বর্তমান রূপ অনেকটাই নিখুঁত ও ত্রুটিহীন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.