ফেসবুকে ভূমিকম্প!

তখনো আকাশে আলো ফোটেনি। প্রতিদিনের মতোই মানুষ ঘুমে ব্যস্ত। ভোর ৫টা ৫ মিনিট। হঠাৎ ঘুমের মধ্যেই প্রচণ্ড ঝাঁকুনি। বুঝতে দেরি হলো না ভূমিকম্প হচ্ছে! ঘুম বাদ দিয়ে যে যার মতো বাসা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য ছোটাছুটি।

সোমবার ভোর ৫টা ৫মিনিটে সারা দেশে ৬.৭ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের মনিপুরের রাজধানী ইম্ফলের ২৯ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে তামেংলং জেলার ননি গ্রামে। ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত সাতজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।   ভূমিকম্পের ঝাঁকুনিতে ঘুম ভাঙার পর অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন। ভূমিকম্পের আধা ঘণ্টা পর আরেক দফা বড় কম্পন হয়, সেই ধারণা থেকে অনেকে ঘণ্টাখানেক বাহিরে কাটিয়ে দেন। পরে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করেছেন ভূমিকম্পে তাদের অভিজ্ঞতার কথা।    পাঠকদের জন্য এমন কিছু স্ট্যাটাস তুলে ধরা হলো-   নিয়াজ মাহমুদ নামের একজন লিখেছেন, ‘ভয়াবহ ভূমিকম্প। মাত্রা ও ক্ষয়ক্ষতি এখনো জানা যায়নি। তবে সবার ঘুম ভেঙেছে নিশ্চিত। (এই পোস্টটি আপ করার সুযোগ দেওয়ার জন্য মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া)।   সজীব নামের একজন লিখেছেন, ‘বেশি ভয় পাওয়ায় ভূমিকম্পের সময় স্ট্যাটাস দিতে পারি নাই।’   সৈয়দ মাহফুজুল হক নামের একজন মজা করে লিখেছেন, ‘ভূমিকম্পনের সময় কম্পনের চেয়ে বেশি ভয়ঙ্কর হলো কাকের গগণবিদারী ডাক। তবে আশার কথা হলো দমকল জানিয়েছে, ভোর ৬টা পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।’   কমল কর্মকার নামের একজন লিখেছেন, ‘ঘুম ভেঙে গেল। ভাবলাম আমার খাটে কেউ এসে বসেছে। কিন্তু এত রাতে কে? অশরীরী! তারপরই তীব্র দোলা! হাফ সেঞ্চুরি করা জীবনে এমন ঝাঁকুনি আর খাইনি!’   আনিকা জান্নাত নামের একজন লিখেছেন, ‘আহারে!!! ভূমিকম্প হয়ে গেল। আমি টেরই পাইলাম না। অ্যালার্জির ওষুধের কী পাওয়ার।’   আরাফাত সিদ্দিক নামের একজন লিখেছেন, ‘তারপরও আমার উনি টের পাননি। বুঝুন আমি কি নিয়ে থাকি। অথচ মৃদু অস্ফুট স্বরে আমার মুখ থেকে কিছু বেরুলে, কী বল্লে কী বল্লে করে বিল্ডিং নাড়িয়ে দেয়।’

 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.