বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন পেলেন যারা : নারী ও সংখ্যালঘু প্রার্থীদের তালিকা

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে নতুন-পুরোনোর মিশেলে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। বেশির ভাগ আসনেই বিকল্প প্রার্থী রেখে পুরনোদের ওপরই আস্থা রাখছে দলটি। দশম সংসদ নির্বাচন বর্জন করায় নবম সংসদ নির্বাচনের প্রায় সব প্রার্থী ও সাবেক এমপিরাই এবারো দলীয় মনোনয়ন পাচ্ছেন। ১০ বছর পর জাতীয় নির্বাচনের ভোটযুদ্ধে লড়তে ৮ শতাধিক নেতা প্রাথমিকভাবে পেয়েছেন দলীয় মনোনয়ন। বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা জানান, প্রার্থীর অনুকূলে প্রতীক বরাদ্দের চিঠি দেয়ার মাধ্যমে প্রার্থীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে তারা। ৩০০ আসনে কে হবেন ধানের শীষের প্রার্থী তা জানতে প্রার্থী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষকে অপেক্ষা করতে হবে আরও ১০ দিন। কৌশলগত কারণে প্রার্থীদের নাম প্রত্যাহারের আগ পর্যন্ত দলের প্রার্থীদের নাম গোপন রাখার চেষ্টা করছে বিএনপি।

সারা দেশে বিএনপির অনেক নেতার নামে মামলা আছে।

অনেকে ‘মিথ্যা’ মামলায় পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। এ কারণে বিভিন্ন আসনে একাধিক প্রার্থীর নাম রাখা হয়েছে। একজন বাদ পড়লে যেন ওই আসনে দ্বিতীয়জন কিংবা তৃতীয়জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। এবার বিএনপি কোনোভাবে ভোটের মাঠ ছাড়বে না, যে কারণে মনোনয়নের চিঠি নিয়েও একটু বেশি সময় নেয়া হচ্ছে। তবে, শারীরিক অসুস্থতার কারণে বিগত নির্বাচনে দলের মনোনয়ন প্রাপ্তদের অনেকেই বাদ পড়েছেন। অনেকে মৃত্যুবরণ করায় সে আসনগুলোতে এসেছে নতুন প্রার্থী। তবে, প্রয়াত নেতাদের অনেকের স্ত্রী ও সন্তানরা মনোনয়ন পেয়েছেন। এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়টি হচ্ছে পরিবারের মধ্যে বিকল্পপ্রার্থী। বেশ কয়েকজন নেতা বিকল্প প্রার্থী হিসেবে তাদের স্ত্রীকে রেখেছেন। এ ছাড়া প্রাথমিক মনোনয়নে সবমিলিয়ে নতুন মুখের সংখ্যা অর্ধেকের বেশি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০ দলীয় জোটের শরিকদের আসন জটিলতা প্রায় নিরসন হলেও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে প্রার্থী চূড়ান্তকরণে গতরাতেও বিএনপি মহাসচিব ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এছাড়া সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী দুই একদিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহার।

সিলেট বিভাগ: সিলেট-১ আসনে ইনাম আহমদ চৌধুরী ও খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, সিলেট-২ তাহসিনা রুশদীর লুনা, সিলেট-৩ শফি আহমদ চৌধুরী, ব্যারিস্টার এমএ সালাম ও আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট-৪ দিলদার হোসেন সেলিম ও অ্যাডভোকেট শামসুজ্জামান জামান, সিলেট-৫ মামুনুর রশীদ মামুন ও সিলেট-৬ আসনে ফয়সল আহমদ চৌধুরী। সুনামগঞ্জ-১ আসনে নজির হোসেন, কামরুজ্জামান কামরুল ও আনিসুল হক, সুনামগঞ্জ-২ নাছির উদ্দিন চৌধুরী ও তাহির রায়হান চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৩ শাহীনুর পাশা চৌধুরী (জমিয়তে ওলামায়ে), সুনামগঞ্জ-৪ ফজলুল হক আসপিয়া ও দেওয়ান জয়নুল জাকেরিন, সুনামগঞ্জ-৫ কলিমউদ্দিন আহমদ মিলন ও মিজানুর রহমান চৌধুরী। মৌলভীবাজার-১ আসনে এবাদুর রহমান চৌধুরী ও নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু, মৌলভীবাজার-২ সুলতান মুহাম্মদ মনসুর (জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট), মৌলভীবাজার-৩ এম নাসের রহমান ও রেজিনা নাসের, মৌলভীবাজার-৪ মুজিবুর রহমান চৌধুরী ও মুঈদ আশিক চিশতী। হবিগঞ্জ-২ আসনে ডা. সাখাওয়াত হোসেন জীবন ও হবিগঞ্জ-৩ জি কে গৌছ। হবিগঞ্জ-১ ও ৪ আসন দুইটিতে প্রার্থী ঘোষণা দেয়া হয়নি। তবে, হবিগঞ্জ-১ রেজা কিবরিয়া (গণফোরাম) ও হবিগঞ্জ-৪ অধ্যাপক আহমেদ আবদুল কাদের (খেলাফত মজলিস) ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করতে পারেন।

চট্টগ্রাম বিভাগ: চট্টগ্রাম-১ কামাল উদ্দিন, নুরুল আমিন ও মনিরুল ইসলাম ইউসুফ, চট্টগ্রাম-২ গোলাম আকবর খন্দকার, ডা. খুরশিদ জামিল চৌধুরী ও মো. সালাহউদ্দিন, চট্টগ্রাম-৩ মোস্তফা কামাল পাশা ও নুরুল মোস্তফা খোকন, চট্টগ্রাম-৪ লায়ন আসলাম চৌধুরী, ইসহাক কাদের চৌধুরী ও এওয়াইবি সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম-৫ মীর মোহাম্মদ নাছিরউদ্দীন ও ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা, চট্টগ্রাম-৬ সামির কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ কুতুবউদ্দিন বাহার ও শওকত আলী নূর, চট্টগ্রাম-৮ এম মোরশেদ খান, আবু সুফিয়ান ও এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ ডা. শাহাদাত হোসেন, শামসুল আলম ও সাইফুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-১০ আবদুল্লাহ আল নোমান ও মোশাররফ হোসেন দীপ্তি, চট্টগ্রাম-১২ গাজী শাহজাহান জুয়েল ও এনামুল হক এনাম, চট্টগ্রাম-১৩ সারওয়ার জামাল নিজাম ও মোস্তাফিজুর রহমান, চট্টগ্রাম-১৪ কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম (এলডিপি), চট্টগ্রাম-১৫ আসনে শেখ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও চট্টগ্রাম-১৬ জাফরুল ইসলাম চৌধুরী। কুমিল্লা-১ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, কুমিল্লা-২ খন্দকার মোশাররফ হোসেন, কুমিল্লা-৩ ড. শাহিদা রফিক ও কাজী মুজিবুল হক, কুমিল্লা-৪ মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ও আবদুল মালেক রতন (জেএসডি), কুমিল্লা-৫ শওকত মাহমুদ ও অধ্যক্ষ ইউনুস, কুমিল্লা-৬ আমিন উর রশিদ ইয়াসিন, কুমিল্লা-৭ ড. রেদোয়ান আহমেদ (এলডিপি), কুমিল্লা-৮ জাকারিয়া তাহের সুমন ও মোরতাজুল করিম বাদরু, কুমিল্লা-৯ কর্নেল (অব.) আনোয়ারুল আজিম, কুমিল্লা-১০ মনিরুল হক চৌধুরী ও মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, আবদুল গফুর ভূঁইয়া ও মীর আবু জাফর শামসুদ্দিন, কুমিল্লা-১১ ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের (জামায়াত)। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ একরামুজ্জামান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ উকিল আবদুস সাত্তার, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, তরুণ দে, শেখ শামিম, মোবারক হোসেন (গণফোরাম), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ প্রকৌশলী খালেদ মাহবুব শ্যামল ও তৌফিকুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ মুশফিকুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ তকদির হোসেন জসিম ও কাজী তাপস, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আবদুল খালেক ও রফিক সিকদার। চাঁদপুর-১ ড. এহসানুল হক মিলন ও মোশারফ হোসেন, চাঁদপুর-২ ড. জালালউদ্দিন ও তানভীর হুদা, চাঁদপুর-৩ ফরিদ আহমেদ মানিক ও রাশেদা বেগম হীরা, চাঁদপুর-৪ সাবেক এমপি লায়ন হারুন অর রশীদ ও এমএ হান্নান এবং চাঁদপুর-৫ ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক ও এমএ মতিন। ফেনী-১ আসনে খালেদা জিয়া ও আবদুল আউয়াল মিন্টু, ফেনী-২ ভিপি জয়নাল আবেদীন, ফেনী-৩ আবদুল লতিফ জনি ও আকবর হোসেন। নোয়াখালী-১ ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন ও মামুনুর রশীদ মামুন, নোয়াখালী-২ জয়নুল আবদিন ফারুক, কাজী মফিজুর রহমান ও জাফর ইকবাল, নোয়াখালী-৩ বরকতউল্লাহ বুলু ও ডা. কাজী মাযহারুল ইসলাম দোলন, নোয়াখালী-৪ মো. শাহজাহান ও শাহীনুর বেগম, নোয়াখালী-৫ ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও নোয়াখালী-৬ ফজলুল আজিম। লক্ষ্মীপুর-১ নাজিমউদ্দিন আহমেদ ও শাহাদাত হোসেন সেলিম (এলডিপি), লক্ষ্মীপুর-২ আবুল খায়ের ভূঁঁইয়া ও হারুনুর রশীদ, লক্ষ্মীপুর-৩ শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী ও সাহাবউদ্দিন সাবু, লক্ষ্মীপুর-৪ আশরাফউদ্দিন নিজান ও শফিউল বারী বাবু। কক্সবাজার-১ হাসিনা আহমেদ, কক্সবাজার-২ আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ, কক্সবাজার-৩ লুৎফর রহমান কাজল, কক্সবাজার-৪ শাহজাহান চৌধুরী ও সালাউদ্দিন। পার্বত্য খাগড়াছড়ি আবদুল ওদুদ ভূঁইয়া, পার্বত্য রাঙ্গামাটি দীপেন দেওয়ান ও মনি স্বপন দেওয়ান এবং পার্বত্য বান্দরবান সাচিং প্রু জেরি ও উম্মে কুলসুম সুলতানা।

ঢাকা বিভাগ: ঢাকা-১ আসনে বিএনপির সাবেক নেতা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার মেয়ে অ্যাডভোকেট অন্তরা সেলিমা হুদা, খন্দকার আবু আশফাক ও ফাহিমা হোসেন জুবলী, ঢাকা-২ আমান উল্লাহ আমান ও তার ছেলে ইরফান ইবনে আমান, ঢাকা-৩ গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও তার পুত্রবধূ নিপুন রায় চৌধুরী, ঢাকা-৪ সালাহউদ্দিন আহমেদ ও তার পুত্র তানভীর আহমেদ রবীন, ঢাকা-৫ নবী উল্লাহ নবী ও অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, ঢাকা-৬ আবুল বাশার ও ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, ঢাকা-৭ নাসিমা আক্তার কল্পনা ও রফিকুল ইসলাম রাসেল, ঢাকা-৮ মির্জা আব্বাস, ঢাকা-৯ হাবিব-উন-নবী সোহেল, ঢাকা-১০ আবদুল মান্নান ও তার জামাতা ব্যারিস্টার নাসিরউদ্দিন অসীম, ঢাকা-১১ এমএ কাইয়ুমের স্ত্রী শামীম আরা বেগম ও এজিএম শামসুল আলম, ঢাকা-১২ সাইফুল আলম নীরব ও আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, ঢাকা-১৩ আবদুস সালাম ও আতাউর রহমান ঢালী, ঢাকা-১৪ সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক ও এস এ সিদ্দিক সাজু, ঢাকা-১৫ মামুন হাসান, ঢাকা-১৬ অধ্যাপক ড. সাহেদা রফিক, আহসান উল্লাহ হাসান ও মোয়াজ্জেম হোসেন, ঢাকা-১৭ মেজর জেনারেল (অব.) রুহুল আলম চৌধুরী, ফরহাদ হালিম ডোনার ও কামাল জামান মোল্লা, ঢাকা-১৮ বাহাউদ্দিন সাদী ও এসএম জাহাঙ্গীর, ঢাকা-১৯ ডা. দেওয়ান সালাহউদ্দিন আহমেদ ও ঢাকা-২০ ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান ও তমিজউদ্দিন।

নারায়ণগঞ্জ-১ অ্যাডভোকেট তৈমুর রহমান আলম খন্দকার, কাজী মনিরুজ্জামান মনির ও মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু, নারায়ণগঞ্জ-২ মাহমুদুর রহমান সুমন, আতাউর রহমান খান আঙ্গুর ও নজরুল ইসলাম আজাদ, নারায়ণগঞ্জ-৩ আজহারুল ইসলাম মান্নান ও খন্দকার আবু জাফর, নারায়ণগঞ্জ-৪ মোহাম্মদ শাহ আলম ও অধ্যাপক মামুন মাহমুদ এবং নারায়ণগঞ্জ-৫ অ্যাডভোকেট আবুল কালাম ও মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। তবে, এই আসন থেকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে এসএম আকরামের নাম রয়েছে। নরসিংদী-১ খায়রুল কবীর খোকন, নরসিংদী-২ ড. আবদুল মঈন খান, নরসিংদী-৩ সানাউল্লাহ মিয়া ও আকরামুল হাসান, নরসিংদী-৪ সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল ও আবদুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল, নরসিংদী-৫ আশরাফ উদ্দিন ও একে নেছার উদ্দিন। মানিকগঞ্জ-১ আসনে খন্দকার আকতার হামিদ ডাবলু, খন্দকার আকবর হোসেন বাবলু, মানিকগঞ্জ-২ আফরোজা খান রীতা ও মানিকগঞ্জ-৩ ইঞ্জিনিয়ার মইনুল হোসেন শান্ত। মুন্সীগঞ্জ-১ শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন ও আবদুস সালাম আজাদ, মুন্সীগঞ্জ-২ মিজানুর রহমান সিনহা ও মুন্সীগঞ্জ-৩ আবদুল হাই। গাজীপুর-১ চৌধুরী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী, গাজীপুর-২ সালাহউদ্দিন সরকার ও মঞ্জুরুল করিম রনি, গাজীপুর-৩ আসনটি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জন্য ফাঁকা রাখা হয়েছে, গাজীপুর-৪ রিয়াজুল হান্নান শাহ্, গাজীপুর-৫ ফজলুল হক মিলন ও মনির হোসেন। কিশোরগঞ্জ-১ রেজাউল করিম খান চুন্নু, অ্যাডভোকেট মো. শরীফুল ইসলাম শরীফ ও খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, কিশোরগঞ্জ-২ মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জন ও মোহাম্মদ শহীদুজ্জামান, কিশোরগঞ্জ-৩ অ্যাডভোকেট জালাল মোহাম্মদ গাউস, ভিপি সাইফুল ইসলাম সুমন, কিশোরগঞ্জ-৪ অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান ও সুরঞ্জন ঘোষ, কিশোরগঞ্জ-৫ শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল ও তার ছেলে মাহমুদুর রহমান উজ্জ্বল এবং কিশোরগঞ্জ-৬ মো. শরীফুল আলম। টাঙ্গাইল-১ ফকির মাহবুব আনাম স্বপন ও সরকার শহীদ, টাঙ্গাইল-২ সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও শামছুল আলম তোফা, টাঙ্গাইল-৩ মাঈনুল ইসলাম ও লুৎফর রহমান খান আজাদ, টাঙ্গাইল-৪ লুৎফর রহমান মতিন, বেনজির টিটো ও ইঞ্জিনিয়ার আবদুল হালিম, টাঙ্গাইল-৫ মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান ও ছাইদুল হক ছাদু, টাঙ্গাইল-৬ অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী ও নুর মোহাম্মদ খান, টাঙ্গাইল-৭ আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী ও সাইদুল ইসলাম খান, টাঙ্গাইল-৮ আসন ঘোষণা করা হয়নি। এ আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী দেয়া হবে বলে জানা গেছে। ফরিদপুর-১ শাহ মো. আবু জাফর ও খন্দকার নাছিরুল ইসলাম, ফরিদপুর-২ শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু ও শহিদুল ইসলাম বাবুল, ফরিদপুর-৩ চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ও নায়েবা ইউসুফ, ফরিদপুর-৪ ইকবাল হোসেন খন্দকার সেলিম ও শাহরিয়ার ইসলাম শায়লা। রাজবাড়ী-১ আলী নেওয়াজ খৈয়াম ও আসলাম মিয়া, রাজবাড়ী-২ নাসিরুল হক সাবু, হারুন অর রশীদ ও আবদুর রাজ্জাক। গোপালগঞ্জ-১ সেলিমুজ্জামান সেলিম ও শরফুদ্দীন জাহাঙ্গীর, গোপালগঞ্জ-২ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ও ডা. কেএম বাবর, গোপালগঞ্জ-৩ এসএম জিলানি ও এসএম আফজাল হোসেন। মাদারিপুর-১ সাজ্জাদ হোসেন লাভলু সিদ্দিকী, মাদারিপুর-২ মিল্টন বৈদ্য, মাদারিপুর-৩ আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার। শরিয়তপুর-১ সরদার নাছির উদ্দিন কালু, শরিয়তপুর-২ শফিকুর রহমান কিরন, শরিয়তপুর-৩ মিয়া নুরুদ্দিন অপু।

ময়মনসিংহ বিভাগ: ময়মনসিংহ-১ সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, আফজাল এইচ খান, আলী আসগর ও সালমান ওমর রুবেল, ময়মনসিংহ-২ শাহ শহীদ সারওয়ার ও অ্যাডভোকেট আবুল বাশার আকন্দ, ময়মনসিংহ-৩ ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসাইন, আহম্মেদ তায়েবুর রহমান ওরফে হিরন ও ডক্টর মোহাম্মদ আবদুস সেলিম, ময়মনসিংহ-৪ ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন ও আবু ওয়াহাব আকন্দ, ময়মনসিংহ-৫ মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলু, ময়মনসিংহ-৬ ইঞ্জিনিয়ার শামসুদ্দিন আহমদ ও মো. আকতারুল আলম ফারুক, ময়মনসিংহ-৭ ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন, জয়নাল আবেদীন ও আমিন সরকার, ময়মনসিংহ-৮ শাহ নুরুল কবির শাহীন ও লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু, ময়মনসিংহ-৯ খুররম খান চৌধুরী ও ইয়াসের খান চৌধুরী, ময়মনসিংহ-১০ সিদ্দিকুর রহমান ও মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান ও ময়মনসিংহ-১১ ফখরুদ্দিন বাচ্চু ও মোর্শেদ আলম। শেরপুর-১ মো. হযরত আলী, শেরপুর-২ একেএম মোখলেসুর রহমান রিপন ও ব্যারিস্টার হায়দার আলী, শেরপুর-৩ মাহমুদ রুবেল। জামালপুর-১ রশিদুজ্জামান মিল্লাত ও এমএ কাইয়ুম, জামালপুর-২ সুলতান মাহমুদ বাবু ও এএসএম আব্দুল হালিম, জামালপুর-৩ মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল ও বদরুদ্দোজা বাদল, জামালপুর-৪ ফরিদুল কবির তালুকদার, জামালপুর-৫ অ্যাডভোকেট শাহ ওয়ারেস আলী মামুন ও সিরাজুল হক। নেত্রকোনা-১ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও গোলাম রব্বানী, নেত্রকোনা-২ আশরাফ উদ্দিন খান ও এটিএম আব্দুল বারী ড্যানী, নেত্রকোনা-৩ রফিকুল ইসলাম হেলালি ও মো. দেলোয়ার হোসেন ভুইয়া দুলাল, নেত্রকোনা-৪ তাহমিনা জামান শ্রাবনী ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল ফারুক, নেত্রকোনা-৫ রাবেয়া আলী, শহীদুল্লাহ ইমরান ও আবু তাহের তালুকদার।

খুলনা বিভাগ: খুলনা-১ আমীর এজাজ খান, খুলনা-২ নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা-৩ রকিবুল ইসলাম বকুল ও আরিফুর রহমান মিঠু, খুলনা-৪ আজিজুল বারী হেলাল ও শরীফ শাহ কামাল তাজ, খুলনা-৫ ড. মামুন রহমান ও ডা. গাজী আবদুল হক এবং খুলনা-৬ শফিকুল আলম মনা। নড়াইল-১ বিশ^াস জাহাঙ্গীর আলম এবং নড়াইল-২ ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপির) চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছেন। সাতক্ষীরা-১ হাবিবুল ইসলাম হাবিব সাতক্ষীরা-২, সাতক্ষীরা-৩ ও সাতক্ষীরা-৪ জামায়াত। মেহেরপুর-১ মাসুদ অরুণ, মেহেরপুর-২ জাভেদ মাসুদ মিল্টন। চুয়াডাঙ্গা-১ শামসুজ্জামান দুদু ও চুয়াডাঙ্গা-২ মাহমুদ হাসান খান ওরফে বাবু খান। কুষ্টিয়া-১ রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা ও রমজান আলী, কুষ্টিয়া-২ ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী ও ফরিদা ইয়াসমিন, কুষ্টিয়া-৩ অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন ও জাকির হোসেন সরকার, কুষ্টিয়া-৪ সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী ও নুরুল ইসলাম আনসার প্রমানিক। ঝিনাইদহ-১ অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ ও জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, ঝিনাইদহ-২ এসএম মশিউর রহমান ও এমএ মজিদ, ঝিনাইদহ-৩ কণ্ঠশিল্পী মনির খান ও মেহেদী হাসান রনি, ঝিনাইদহ-৪ সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। মাগুরা-১ মনোয়ার হোসেন খান, মাগুরা-২ নিতাই রায় চৌধুরী ও মোজাফফর হোসেন টুকু। যশোর-১ মফিকুল হাসান তৃপ্তি ও হাসান জহির, যশোর-৩ অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ও সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, যশোর-৪ ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ুব, সুকৃতি ম-ল ও মতিয়ার রহমান ফারাজী, যশোর-৬ অমলেন্দু দাস অপু, আবুল হোসেন আজাদ ও আবদুস সামাদ বিশ^াস। যশোরের দুটি আসনে বিএনপির মনোনয়নের ঘোষণা দেয়া হয়নি। বাগেরহাট-১ শেখ মুজিবুর রহমান ও মাসুদ রানা, বাগেরহাট-২ এমএ সালাম ও আকরাম হোসেন, বাগেরহাট-৩ আসনে ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম ও বাগেরহাট-৪ খায়রুজ্জামান শিপন ও অধ্যক্ষ আবদুল আলিম (জামায়াত)।

এদিকে, জামায়াতের যে নেতারা বিএনপির সমর্থন পাচ্ছেন: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ২০ দলীয় জোটের শরিক জামায়াতে ইসলামীকে সমর্থণ দেয়া হচ্ছে ২৫টি আসনে। গতরাতে ২০ দলীয় জোট সূত্রে এই খবর জানা গেছে। সমর্থনপ্রাপ্তরা হলেনÑ আবদুল হাকিম (ঠাকুরগাঁও-২), মোহাম্মদ হানিফ (দিনাজপুর-১), আনোয়ারুল ইসলাম (দিনাজপুর-৬), মনিরুজ্জামান মন্টু (নীলফামারী-২), আজিজুল ইসলাম (নীলফামারী-৩), গোলাম রব্বানী (রংপুর-৫), মাজেদুর রহমান সরকার (গাইবান্ধা-১), রফিকুল ইসলাম খান (সিরাজগঞ্জ-৪), ইকবাল হুসেইন (পাবনা-৫), মতিউর রহমান (ঝিনাইদহ-৩), সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের (কুমিল্লা-১১), হামিদুর রহমান আজাদ (কক্সবাজার-২), শামসুল ইসলাম ( চট্টগ্রাম-১৫), আবু সাঈদ মুহাম্মদ শাহাদত হোসাইন (যশোর-২), আব্দুল ওয়াদুদ (বাগেরহাট-৩), আবদুল আলিম (বাগেরহাট-৪), মিয়া গোলাম পরওয়ার (খুলনা-৫), আবুল কালাম আযাদ (খুলনা-৬), রবিউল বাশার (সাতক্ষীরা-৩), আব্দুল খালেক (সাতক্ষীরা-২), গাজী নজরুল ইসলাম (সাতক্ষীরা-৪), শামীম সাঈদী (পিরোজপুর-১), ফরিদউদ্দিন চৌধুরী (সিলেট-৫), হাবিবুর রহমান (সিলেট-৬) ও শফিকুর রহমান (ঢাকা-১৫)। এছাড়া ২০দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যেÑ ভোলা-১ বিজেপির ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, নড়াইল-২ এনপিপির ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, নারায়ণগঞ্জ-৫ সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ, চট্টগ্রাম-৫ কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতীক, চট্টগ্রাম-১৪ এলডিপির কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম, কুমিল্লা-৭ ড. রেদোয়ান আহমেদ, লক্ষ্মীপুর-১ ডা. শাহাদাত হোসেন সেলিম, সুনামগঞ্জ-৩ জমিয়তে উলামায়ে ইসলামীর শাহিনুর পাশা চৌধুরী, কুমিল্লা-৬ সৈয়দ মহিউদ্দিন ইকরাম, যশোর-৫ মো. ওয়াক্কাস, খুলনা-৪ রেজাউল করীম, পিরোজপুর-২ লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, পিরোজপুর-১ জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, গাইবান্ধা-৩ টিআই ফজলে রাব্বী, চাঁদপুর-৩ এসএমএম আলম, কুষ্টিয়া-২ আহসান হাবিব লিংকন, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-৪ সেলিম মাস্টার ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়নের জন্য প্রত্যয়নের চিঠি নিয়ে গেছেন।

নারী প্রার্থী: ওদিকে অন্তত তিন ডজন নারী প্রার্থীকে প্রাথমিক মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। তবে প্রাথমিক মনোনয়নপ্রাপ্ত নারীদের মধ্যে চূড়ান্ত মনোনয়ন নিশ্চিত রয়েছে মাত্র কয়েকজনের। কয়েকজনকে আসনের মূল পুরুষ প্রার্থীর বিপক্ষে চূড়ান্ত মনোনয়নের লড়াইয়ে নামতে হবে। তবে বেশিরভাগ নারী প্রার্থীই রয়েছেন স্বামীর বিকল্প প্রার্থী হিসেবে। ফেনী-১ ও বগুড়া-৬-৭ তিনটি আসনে দলের কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপির মনোনয়ন বোর্ড। তবে প্রতিটি আসনেই রাখা হয়েছে বিকল্প। গতকাল উচ্চ আদালতে একটি রীটের রায়ের আদেশের পর চূড়ান্তভাবে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে খালেদা জিয়ার নির্বাচনে অংশগ্রহণ। এসব আসনে ইতিমধ্যে প্রথম বিকল্প প্রার্থী ভোটের লড়াইয়ে নামার প্রস্তুতি শুরু করেছে। এবারের নির্বাচনে বিএনপির নারী প্রার্থী হিসেবে যারা প্রথম পছন্দে রয়েছেন তারা হলেনÑ সিলেট-২ আসনে তাহসিনা রুশদীর লুনা, কক্সবাজার-১ হাসিনা আহমেদ, মানিকগঞ্জ-২ আফরোজা খান রিতা, ফরিদপুর-২ শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু, কুমিল্লা-৩ ড. শাহিদা রফিক, ঝালকাঠি-২ ইসরাত জাহান ইলেন ভুট্টো, ঢাকা-১১ শামীম আরা বেগম, বগুড়া-৩ মাসুদা মোমেন, সিরাজগঞ্জ-১ কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা, নেত্রকোনা-৪ তাহমিনা জামান শ্রাবনী ও রংপুর-৩ রিটা রহমান। আর স্বামীর বিকল্প হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন- সিরাজগঞ্জ-২ আসনে রুমানা মাহমুদ, নাটোর-২ সাবিনা ইয়াসমিন ছবি, মৌলভীবাজার-৩ আসনে রেজিনা নাসের, কুড়িগ্রাম-১ শামীমা রহমান আপন, পটুয়াখালী-১ সুরাইয়া আক্তার চৌধুরী ও পটুয়াখালী-২ সালমা আলম। পিতার বিকল্প হিসেবে ফরিদপুর-৩ আসনে প্রার্থী হয়েছেন নায়েবা ইউসুফ।

অন্যদিকে পুরুষপ্রার্থীর পক্ষে লড়তে হবেÑ বরিশাল-৩ সেলিমা রহমান, নীলফামারী-১ ন্যান্সি রহমান, নীলফামারী-৪ বেবী নাজনীন, গাইবান্ধা-৩ রওশন আরা ফরিদ; নাটোর-১ কামরুন্নাহার শিরিন, চট্টগ্রাম-৫ আসনে ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, কুষ্টিয়া-২ ফরিদা ইয়াসমিন, ঢাকা-৭ নাসিমা আক্তার কল্পনা, নোয়াখালী-৪ শাহীনুর বেগম, রাজশাহী-৫ মাহমুদা হাবীব, নেত্রকোনা-৫ রাবেয়া আলী, পার্বত্য বান্দরবানে উম্মে কুলসুম সুলতানা, চাঁদপুর-৩ রাশেদা বেগম হীরা, ফরিদপুর-৪ শাহরিয়ার ইসলাম শায়লা। এছাড়া ঝালকাঠি-২ জেবা খানকে আরেক নারী প্রার্থী ইলেন ভুট্টোর সঙ্গে চূড়ান্ত মনোনয়ন লড়াই করতে হবে। ঢাকা-১ আসনেও প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছেন দুই নারী প্রার্থী অ্যাডভোকেট অন্তরা সেলিমা হুদা ও ফাহিমা হোসাইন জুবলী। এছাড়া পঞ্চগড়-২ আসনে ২০ দলীয় জোটের শরিক জাগপার ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধানকে ধানের শীষ প্রতীকের মনোনয়নপত্র দেয়া হয়েছে।

সংখ্যালঘু প্রার্থী: একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ১৪জন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রার্থীকে প্রাথমিক মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। যাদের মধ্যে কয়েকজনের চূড়ান্ত মনোনয়ন নিশ্চিত। অন্যদের বিকল্পপ্রার্থী থেকে মূলপ্রার্থীর হওয়ার লড়াই চালাতে হবে। সংখ্যালঘু নেতাদের মধ্যে যারা প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছেন তারা হলেনÑ ঢাকা-৩ গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মাগুরা-২ নিতাই রায় চৌধুরী, টাঙ্গাইল-৬ অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী, ঝিনাইদহ-১ জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, যশোর-৬ অমলেন্দু দাস অপু, যশোর-৪ সুকৃতি কুমার মন্ডল, রাজশাহী-৬ রমেশ দত্ত, মাদারিপুর-২ মিল্টন বৈদ্য, ব্রাহ্মনবাড়িয়া-২ তরুণ দে, পার্বত্য রাঙ্গামাটি দীপেন দেওয়ান ও মনিস্বপন দেওয়ান, পার্বত্য বান্দরবান সাচিং প্রু জেরি ও কিশোরগঞ্জ-৪ সুরঞ্জন ঘোষ। এছাড়া ঢাকা-৩ আসনে প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের পুত্রবধু ও ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরীর কন্যা কারাবন্দি নিপুন রায় চৌধুরী। নয়াপল্টনে পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি পোড়ানো মামলায় গ্রেপ্তারের পর বর্তমানে কারাবন্দি রয়েছেন তিনি। সূত্র:দৈনিক মানবজমিন।

ধানের শীষ প্রতীকে যেসব আসনে জামায়াত

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০-দলীয় জোটের দ্বিতীয় প্রধান শরিক দল বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীকে ২৫ আসন দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে ২০-দলীয় জোট সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
ধানের শীষ প্রতীকে ২৫ আসনে যারা মনোনয়ন পেয়েছেন, তারা হলেন- ঠাকুরগাঁও-২ মাওলানা আবদুল হাকিম, দিনাজপুর-১ মাওলানা মোহাম্মদ হানিফ, দিনাজপুর-৬ মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম, নীলফামারী-২ মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মন্টু, নীলফামারী-৩ মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম, রংপুর-৫ অধ্যাপক গোলাম রব্বানী, গাইবান্ধা-১ মাজেদুর রহমান সরকার, সিরাজগঞ্জ-৪ মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, পাবনা-৫ মাওলানা ইকবাল হুসাইন, ঝিনাইদহ-৩ অধ্যাপক মতিয়ার রহমান, যশোর-২ আবু সাঈদ মুহাম্মদ শাহাদাত হোসাইন, বাগেরহাট-৩ অ্যাডভোকেট আবদুল ওয়াদুদ, বাগেরহাট-৪ অধ্যাপক আবদুল আলীম, খুলনা-৫ অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, খুলনা-৬ মাওলানা আবুল কালাম আযাদ, সাতক্ষীরা-২ মুহাদ্দিস আবদুল খালেক, সাতক্ষীরা-৩ মুফতি রবিউল বাশার, সাতক্ষীরা-৪ গাজী নজরুল ইসলাম, পিরোজপুর-১ আলহাজ শামীম সাঈদী, ঢাকা-১৫ ডা. শফিকুর রহমান, সিলেট-৫ মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, সিলেট-৬ মাওলানা হাবিবুর রহমান, কুমিল্লা-১১ ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের, চট্টগ্রাম ১৫ আ ন ম শামসুল ইসলাম ও কক্সবাজার-২ হামিদুর রহমান আযাদ।
২০ দলের শরিক দলগুলোকে ৪০-৪২ আসন দিচ্ছে বিএনপি। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আসন পাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পাচ্ছে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি। দলটিকে চার আসন দিচ্ছে বিএনপি।
অন্য দলগুলো পাবে বাকি আসন। তবে আসন নিয়ে চূড়ান্ত সমঝোতা এখনও হয়নি। আজ মনোনয়নের টিকিট পাওয়া সবাই মনোনয়ন দাখিল করবেন। ৯ ডিসেম্বর মনোনয়ন প্রত্যাহরের শেষ দিনে একজন প্রার্থী থেকে বাকি সবাই মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেবেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.