বিশ্বের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে ইউনিসেফের উদ্বেগ

বিশ্বে সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের দুর্দশার প্রতি নজর দিতে হবে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্র (এসডিজি) অর্জনে চ্যালেঞ্জ থাকবে। কারন, ২০৩০ সালের মধ্যে ৬ কোটি ৯০ লাখ শিশু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রতিরোধযোগ্য বিভিন্ন কারনে মারা যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া, ১৬কোটি ৭০ লাখ শিশু দারিদ্রের মধ্যে বসবাস করবে এবং ৭৫ কোটি নারীর শিশু বয়সেই বিয়ে হবে।

ইউনিসেফের কমিনিউকেশনস ম্যানেজার এএম শাকিল ফয়েজউল্লাহ্ আজ মঙ্গলবার আমাদের সময়কে জানান আজ নিউ ইয়র্কে প্রকাশিত ইউনিসেফের ‘দ্য স্টেট অব দ্য ওয়ার্ল্ড’স চিলড্রেন’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য ফুটে উঠেছে।

এতে বলা হয়, নতুন প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এখনই সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের ভাগ্য বদলে দিতে পারে।

ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্থনি লেইক বলেন, কোটি কোটি শিশু জীবনে একটি ন্যায্য সুযোগ না পেলে তাদের ভবিষ্যতকে ঝুঁকিতে ফেলা হবে। এরচেয়ে বেশি ক্ষতি করবে- বংশপরম্পরায় প্রতিকূলতার চক্র তৈরির মাধ্যমে। এটি তাদের সামাজিক ভবিষ্যতকে বিপন্ন করে।

লেইক বলেন, এখনই এই শিশুদের পেছনে বিনিয়োগ করবো নাকি বিশ্বকে আরো বেশি অসম ও বিভক্ত হতে দেবো- সেটি আমাদের বেছে নিতে হবে।

শিশুদের জীবন রক্ষা, তাদের বিদ্যালয়ে পাঠানো ও মানুষকে দারিদ্রতা থেকে বের করে আনার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।

এতে বলা হয়, ১৯৯০ সাল থেকে বিশ্বে পাচ বছরের নিচে শিশু মৃত্যু হার অর্ধেকেরও বেশি রেয়েছে। ১২৯টি দেশে ছেলে ও মেয়েরা সমান সংখ্যায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যায়। ১৯৯০ এর দশকের তুলনায় বিশ্বব্যাপী অতি দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করে এমন মানুষের সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।

ঝুঁকিতে থাকা শিশুরা বেশিরভাগ হচ্ছে- দক্ষিণ এশিয়া ও সাব-সাহারা আফ্রিকার।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.