ব্রিটেনে নারী হয়ে জন্মেই খুশি সিংহভাগ নারী

বিবিসির এক জরীপ বলছে ২০১৬ সালে ব্রিটেনে ১০ জন নারীর নয়জনই নারী হয়ে জন্ম নিয়ে খুশি। ১৯৪৭ সালে একই ধরণের এক জরীপে এই সংখ্যা ছিল ৫০ শতাংশের কিছু বেশী।

বিবিসি রেডিও ফোর তাদের উইমেন আওয়ার নামে মহিলাদের বিশেষ একটি অনুষ্ঠানের ৭০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই জরীপটি করেছে।

বিভিন্ন বয়সের ১০০৪ নারীর ওপর জরীপটি চালানো হয়। জরীপে বিয়ে, সংসার, যৌনতা, টাকা-পয়সা, কাজ, রূপ সহ বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মনোভাব জানতে চাওয়া হয়।

ফলাফল ছিল এরকম:

বিয়ে

জরীপে অংশ নেয়া অধিকাংশ নারী বলেছেন, যে স্বামীর সাথে তারা ঘর করছেন, তাদের নিয়েই তারা খুশি।

৮৭ শতাংশ মহিলা বলেছেন আবার বিয়ে করতে হলে বর্তমান স্বামীকেই তারা সঙ্গী হিসাবে বেছে নেবেন।

চল্লিশের দশকে নারীদের মধ্যে সঙ্গী নিয়ে এই তৃপ্তি ছিলনা। ১৯৪৯ সালে এক জরীপে এই সংখ্যা ছিল ৭৭ শতাংশ।

কাজ

জরীপে দেখা যাচ্ছে ব্রিটেনে এখন ৬০ শতাংশ মহিলাই পেশাজীবী। অথচ ৬৫ বছর আগে এই সংখ্যা ছিল ৩১।

এমনকী ৫৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী নারীদের মধ্যেও এখন ৬২ শতাংই কাজ করেন। ১৯৫১ সালে এই সংখ্যা ছিল ২২ শতাংশ।

যৌন-জীবন

ব্রিটেনের ২৫ থেকে ৩৪ বছর বয়সী নারীদের এক-চতুর্থাংশই বলছেন তারা তাদের যৌন-জীবন নিয়ে ‘অত্যন্ত তৃপ্ত’।

তবে ৫৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে যৌন-জীবন নিয়ে তৃপ্তিবোধ অনেক কম। তাদের ৯ শতাংশ বলেছেন, তারা একেবারেই তৃপ্ত নন।

রূপ

১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী নারীদের কাছে ‘মোটা’ শব্দটি সবচেয়ে স্পর্শকাতর। তারা বলেছেন, তাদেরকে ‘বোকা’ বললে তারা যতটা না আঘাত যাবেন, মোটা বললে তার চেয়ে বেশি আঘাত পাবেন।

উদ্বেগ

অপেক্ষাকৃত কম বয়সী নারীরা (২৫-৩৪ বছর) সবচেয়ে উদ্বিগ্ন তাদের নিজেদের এবং পরিবারের সুস্থতা নিয়ে।

তাদের পরের চিন্তা (৫৩ শতাংশ) – বৃদ্ধ বয়সে তাদের হাতে যথেষ্ট টাকা-পয়সা থাকবে কিনা। বিবিসি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.