মাধুরীর বায়ান্ন

প্রাণ খোলা হাসি, মায়াবতী চোখের ইশারা আর নিষ্পাপ চেহারা বলতে বলিউডপ্রেমীরা মাধুরী দীক্ষিতকেই বোঝেন। সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ মাধুরী এক সময় শুধু রূপে নয় অভিনয় গুণ দিয়ে মুগ্ধ করেছিলেন অগণিত দর্শক। সমগ্র দুনিয়ার কাছে মাধুরীই ছিলেন বলিউডের পরিচয়। আট থেকে আশি তার হাসিতেই কাবু হতো। ১৫ মে এই হার্টথ্রব তারকার ৫২তম জন্মদিন।

তবে জন্মদিন উপলক্ষে অভিনেত্রীর বিশেষ কোনও প্রস্তুতি নেবার খবর গণমাধ্যমে পাওয়া যায়নি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করে মাধুরী লেখেন, আপনার অতীতের সঙ্গে বর্তমান অথবা ভবিষ্যৎ মিলাবেন না।

অন্যদিকে মাধুরীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তার স্বামী শ্রীরাম মাধব নিনিসহ বেশ কিছু বলিউড তারকা।

মাধুরী দীক্ষিত ১৯৬৭ সালের ১৫ মে মহারাষ্ট্রে মারাঠি ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ডিভাই চাইল্ড হাই স্কুল এবং মুম্বাই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। তিন বছর বয়স থেকে তিনি নৃত্যের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন। তিনি কথক নৃত্যের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন এবং একজন প্রশিক্ষিত ও পেশাদার কথক নৃত্যশিল্পী হয়ে ওঠেন।

১৯৮৪ সালে ‘অবোধ’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে মাধুরীর চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়। শিশু ও সহ-অভিনেত্রীর ভূমিকায় অভিনয়ের পর তিনি ১৯৮৮ সালে তেজাব ছবিতে প্রধান নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করেন। এ ছবিটিই তাকে খ্যাতির উচ্চতর আসনে বসায়।

এরপর মাধুরী বেশকিছু হিট ছবিতে অভিনয় করেন। তার উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে আছে রাম-লক্ষ্মণ, পরিন্দা, ত্রিদেব, কিশেন কানহাইয়া, প্রহর।

শোনা যায়, মাধুরীর জাদুতে এক সময় মুগ্ধ হয় পাকিস্তান। বহুবার পাকিস্তানি সিনেমায় অভিনয়ের জন্য ডাকও পেয়েছিলেন মাধুরী। তবে বলিউডের রানি হয়েই থাকতে চেয়েছিলেন মাধুরী।

ব্যক্তিগত জীবনে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্ডিওভাসকুলার সার্জন শ্রীরাম মাধব নিনিকে বিয়ে করেন। তাদের দুই সন্তান রয়েছে।

মাধুরী তার নাচ দিয়ে বলিউডে গেঁথে আছেন। মাধুরী অভিনীত প্রতিটি ছবিতে ভক্তরা তার নাচ দেখার জন্য মুখ উঁচিয়ে থাকেন। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে কলঙ্ক সিনেমা। ছবি বক্স অফিসে মুখ থুবরে পড়লেও, ছবির তবহা হো গয়ে গানে নজর কেড়েছেন মাধুরী।

আরটিভি অনলাইন
|

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.