লাগেজের নাম নেইমার!

তাঁর দল বিদায় নিয়েছে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই৷ কিন্তু এখনও তথ্য বলছে, মাঠে নেইমারের ঔজ্জ্বল্য খুব কম ছিল না৷ কিন্তু ক’জনই বা তা নিয়ে কথা বলেছেন, বলছেন! নেইমারের ‘অভিনয় দক্ষতা’ নিয়েই চলছে হাসি-তামাশা৷
গ্রুপ পর্বে সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে ব্রাজিল ১-১ ড্র করার পর নাকি সুইজারল্যান্ডের শিশুরাও নেমেছিল মাঠে ডাইভ দিয়ে গড়াগড়ি করে নেইমারকে ট্রল করার প্রতিযোগিতায়৷ অথচ নেইমার সেই ম্যাচে অভিনয় করেছিলেন এটা যেমন সত্য, একই সঙ্গে এটাও সত্য যে তাঁকে সেদিন ফাউলও করা হয়েছিল ১০ বার!
এবারের আসরে নেইমার যত ফাউলের শিকার হয়েছেন, ততটা আর কোনো খেলোয়াড়ই হননি৷ প্রথম সেমিফাইনাল শুরুর আগে ফিফা ডটকমের তথ্য বলছে, এ আসরে গোলে শটও নেইমারের মতো এত বেশি (২৭টি) আর কেউ নেননি৷ কিন্তু বিশ্বের যে কোনো দেশে যান, কথা হবে কিন্তু শুধু নেইমারের ‘অভিনয় দক্ষতা’ নিয়ে৷ সবাই বলছেন, মাঠে নেইমার যত ভালো খেলেছেন, অভিনয়টা ছিল তার চেয়ে ঢের ভালো৷
ফ্রান্সের সাবেক খেলোয়াড় এরিক কাঁতোয়া অবশ্য নেইমারের অভিনয়ে ত্রুটিও দেখেছেন৷
হ্যাঁ, খেলোয়াড়ি জীবনে দর্শক পেটানো থেকে শুরু করে অনেক অনাকাঙ্খিত ঘটনার কারণে আলোচনায় থাকা সাবেক এই ম্যানইউ তারকাও ট্রলই করেছেন৷ ব্রাজিলের হলুদ জার্সির কথা মনে করে হলুদ রঙের একটা স্যুটকেস নিয়েই একটা ভিডিও করেছেন৷ স্যুটকেসটা দেখিয়েই বলেছেন, ‘‘এটা আমার নতুন লাগেজ৷ আমি এর নাম দিয়েছি নেইমার৷” এমন নামকরণের কারণ, চাকা লাগানো স্যুটকেসটিকে একবার ঘুরালে বারবার ঘুরতে থাকে৷ তারপর শুরুতে অবশ্য খেলোয়াড় নেইমারের প্রশংসা করেছেন, অভিনয়ের প্রশংসা করতেও ভোলেননি৷ তবে কাঁতোয়া শেষে নেইমারের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘‘তবে বারবার যে ভুল তুমি করছো, সেই ভুলের ব্যাপারে সতর্ক থেকো৷ ডান কাঁধে আঘাত পেলে তো তুমি বাম গাল ধরে কাঁদতে পারো না!”
কাঁতোয়ার এই ভিডিও ইউটিউবে দেখা হয়েছে কয়েক লক্ষবার৷ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংবাদমাধ্যমও লুফে নিয়েছে তাঁর ভিডিও৷ ডয়চে ভেলে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.