সেই গাড়ির মালিক শনাক্ত

রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় বুধবার যে প্রাইভেট কারের চাপায় আতাউর রহমান ও রওশন আরা দম্পতি প্রাণ হারিয়েছেন, সেই গাড়ির মালিক আশিকুর রহমান খান নামের এক ব্যক্তি। তবে ঘটনার সময় গাড়িতে ছিলেন তার ছেলে নাসিফ খান ওরফে অনি।

এ সময় ওই প্রাইভেট কারে নাসিফের সঙ্গে তার কয়েকজন বন্ধু ছিলেন। গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়ার পর নাসিফ তাঁর শাহীনবাগের বাসায় ফেরেন। ঘণ্টা দুই পর মা-বাবার সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে বাড়ি ছাড়েন তিনি।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করছে না পুলিশ। তদন্তে অগ্রগতির খবরও জানেন না আতাউর রহমানের ছেলে মো. রায়হান। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কাফরুল থানার ওসি শামীম শিকদার বলেন, আমরা সবকিছুরই সন্ধান পেয়েছি। এখন ধরার অপেক্ষায়। তদন্তের স্বার্থে এর চেয়ে কিছু বলা যাবে না।

জানা গেছে, বুধবার সকাল ৬টা ৯ মিনিটে শেওড়াপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে স্ত্রী রওশন আরার সঙ্গে বের হন আতাউর রহমান। মোহাম্মদপুরে মেয়ের বাসায় যাচ্ছিলেন তাঁরা। শেওড়াপাড়া বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন ফুটপাতে তাঁরা দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় দ্রুতগতির একটি প্রাইভেট কার (ঢাকা মেট্রো গ ২১-৮৫৭১) তাঁদের ধাক্কা দেয়।

এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান আতাউর রহমান ও রওশন আরা। দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া গাড়ি থেকে বের হয়ে আসেন যাত্রীরা। তবে গাড়িটি কে চালাচ্ছিলেন এবং কতজন গাড়িতে ছিলেন, এ ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সকাল সাড়ে ৬টায় দিকে নাসিফ তার শাহীনবাগের বাসা ফেরেন। ঘণ্টা দুই পর মা-বাবার সঙ্গে বাসা থেকে পালিয়ে যান।

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) সূত্রে জানা গেছে, যে প্রাইভেট কারের চাপায় দুজন মারা গেছেন, এটি ২০০৮ সালে রেজিস্ট্রেশন করা হয়। এরপর লিখিতভাবে দুইবার মালিকানা পরিবর্তন হয় গাড়িটির। সবশেষ মালিক ছিলেন হাসান হায়দার।

রেজিস্ট্রেশন-প্রক্রিয়া শেষ না হলেও তাঁর কাছ থেকে গাড়িটি নাঈম নামের এক ব্যক্তি কেনেন, যিনি পুরনো গাড়ি কেনাবেচার ব্যবসা করেন। হাসান হায়দার বলেন, নাইমের কাছ থেকে গাড়িটি কেনেন আশিকুর রহমান খান। তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে আতাউর রহমানের ছেলে মো. রায়হান বলেন, ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, এ ব্যাপারে পুলিশ আমাকে কিছু জানায়নি।

সূত্র: বিবার্তা২৪.নেট।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.